শেষ যাত্রায় ব্রাত্য, পথ হেঁটেছিলেন মাত্র কয়েকজন
সত্যজিতের আলজিভ

‘সত্যজিৎ রায়ের আলজিভ দেখার ইচ্ছে যদি থাকে কাল সকালে আমার মেসে চলে আয়।’ এ হেন প্রস্তাব শুনে উল্টোরথ পত্রিকার সাংবাদিক রবি বসু তো থ। এ আবার কেমন কথা! কোনও সাংবাদিকের পক্ষে এমন সুযোগ নষ্ট করা অকল্পনীয় ব্যাপার। পরেরদিন ছুটলেন তিনি সেই অভাবনীয় দৃশ্য দেখার আশায়। কিন্তু সেখানে যাবার পর রাজ্যের গল্প জুড়ে দিলেন জহর। আসল কথায় আর আসেন না তিনি। শেষে আর থাকতে না পেরে রবি যখন কথাটা তুললেন একগাল হেসে একটা বড়সড় ছবি বার করলেন জহর। উল্টোরথ পত্রিকারই এক অনুষ্ঠানে জহরের নিজের লেখা ‘ন্যাপাসুর বধ’ দেখে হো-হো করে হাসছেন সত্যজিৎ, আর কাছ থেকে তোলার জন্য সেই ছবিতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে তাঁর আলজিভ। রবির মুখের অবস্থা যা হয়েছিল তা দেখে তখন মিটিমিটি হাসছেন জহর।
<—’কাট!’ | ‘ভানু-জহরের বিচ্ছেদ—>

