ছেলেকে অভিনয়ের টিপস দিই না: শান্তিলাল
কলকাতা: ২০১২ সালে সুজয় ঘোষের ‘কাহানি’ ছবিতে বড় পর্দায় হাতেখড়ি হলেও, সেই ছবিতে বাবার সঙ্গে একই দৃশ্যে দেখা যায়নি তাঁকে। দুজনকে এক ফ্রেমে প্রথম পাওয়া গেল ২০১৮-তে মৈনাক ভৌমিকের ‘জেনারেশন আমি’ ছবিতে। বাস্তব জীবনের পিতা-পুত্র শান্তিলাল মুখোপাধ্যায় ও ঋতব্রত মুখোপাধ্যায় সেই ছবিতে অভিনয়ও করেছিলেন বাবা ও ছেলের ভূমিকায়। তারপরে আবারও মৈনাকের ‘গোয়ন্দা জুনিয়র’ ছবিতে দেখা গেল দুজনকে। সম্প্রতি অর্ঘ্যদীপ চট্টোপাধ্যায় পরিচালিত ‘মুখোশ’ ছবির সেটে পাওয়া গেল শান্তিলালকে। ঘটনাচক্রে সেদিনই মুক্তি পেয়েছে ‘গোয়েন্দা জুনিয়র’।
পরের পর ছবিতে ছেলের সঙ্গে একই ফ্রেমে থাকতে কেমন লাগছে জিজ্ঞাসা করতে শান্তিলাল জানালেন, “ব্যাপারটা আমাদের কাছে নতুন কিছু নয় যেহেতু একসঙ্গে থিয়েটার করি আমরা। নাটকের রিহার্সল বা শোগুলোতে তো একসঙ্গেই কাজ হয়, তাই এই প্রক্রিয়াটার মধ্যে প্রায় সারাক্ষণই রয়েছি বলা যায়।”
আরও পড়ুন: তিন মূর্তি ও পায়ের তলায় সরষে
‘গোয়েন্দা জুনিয়র’-এ এক সিনিয়র পুলিশ অফিসারের চরিত্রে অভিনয় করেছেন শান্তিলাল, ঋতব্রতকে দেখা গেছে স্কুল পড়ুয়া বিক্রমের ভূমিকায়।
“অভিনয় নিয়ে আমি ওকে কোনও টিপস দিই না,” জানালেন শান্তিলাল। তাঁর মতে প্রত্যেক পরিচালকের একটা নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি থাকে, সেই মতোই কাজটা করতে হয়। “তাই আমি যদি আবার অন্য কিছু বলি ও মাঝখান থেকে কনফিউজ়ড হয়ে যাবে। তার চেয়ে ও নিজে যেটা বুঝছে সেভাবেই করুক, বললেন তিনি।”
আরও পড়ুন: পুজোয় রবীন্দ্র সদনে বাংলা ছবি, সিদ্ধান্ত কর্তৃপক্ষের
তার মানে কি বাবা আর ছেলের মধ্যে অভিনয় নিয়ে কোনও কথাই হয় না? “না, একেবারেই যে হয় না তা নয়,” জানালেন শান্তিলাল। “যেমন ‘গোয়েন্দা জুনিয়র’-এর চিত্রনাট্য পড়ার সময় আমি ছিলাম না। আমি সেটা পরে শুনি। তারপর একদিন ওর সঙ্গে আলোচনা করলাম চরিত্রটা নিয়ে। আমার যেটুকু বলার ছিল, সেটা হলো ছবির চরিত্র ও মানুষ ঋতব্রত যে এক নয় সেটা বুঝেই ওকে কাজটা করতে হবে। আগে যে চরিত্রগুলো ও করেছে, সেটার থেকে এটাকে কিভাবে আলাদা করা যায় ভাবতে হবে, না হলে দর্শকের ভালো লাগবে না। আলোচনা বলতে এগুলোই হয়। বিশেষ কোনও দৃশ্যও নিয়ে আলোচনা করা হয়নি কখনও।”

