বিচ্ছেদের বছর পঁচিশ পর
RBN Web Desk: অমিত ও লাবণ্য তো নিজ নিজ জীবনের পথে পাড়ি দিল যে যার সঙ্গীর হাত ধরে। হয়ত স্ব-ইচ্ছায়, কিংবা হয়ত ভাগ্যের নির্দেশ মেনে নিয়ে। অমিতের জীবনসঙ্গী হল কেতকী, আর লাবণ্য হাত ধরল শোভনলালের। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘শেষের কবিতা’র সমাপ্তি এখানেই।
কিন্তু তারপর? শেষের পরেও তো কিছু গল্প থাকে। সেই গল্প নিয়েই আসছে অনঞ্জন মজুমদারের স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি ‘অবশেষের গল্প’।
এ গল্পের শুরু অমিত-লাবণ্যর ছাড়াছাড়ির পঁচিশ বছর পর যেখানে পরের প্রজন্মের দুই তরুণ-তরুণীর নতুন এক সম্পর্কের হাত ধরে উঠে আসছে উপন্যাসের চরিত্ররা। অনঞ্জনের কাহিনীতে রবীন্দ্রনাথের উপন্যাসের চরিত্ররা থাকছেন গল্পের অঙ্গ হিসেবেই।
তিন মূর্তি ও পায়ের তলায় সরষে
ছবির কাহিনী প্রসঙ্গে অনঞ্জন রেডিওবাংলানেট-কে জানালেন, “‘শেষের কবিতা’ তো শুধুমাত্র অমিত-লাবণ্যর গল্প নয়, কোথাও গিয়ে তা লাবণ্য ও কেতকীর সংঘাতের গল্পও। এই দুজনের মধ্যে একটা ঠাণ্ডা লড়াই ছিল একজন মানুষকে কেন্দ্র করেই। যখন পঁচিশ বছর বাদে দুজনের দেখা হয় তখন এরা দুজনেই অভিজ্ঞতাসম্পন্ন দুটো মানুষ। এই দুজন কিভাবে নিজেদের সম্পর্ককে উত্তরণের পথে নিয়ে যান, সেটাই এই ছবির মূল গল্প।”
অমিত, লাবণ্য, কেতকী ও শোভনলাল, এতদিন পরে এই চারজনের মধ্যে সম্পর্কের সমীকরণ কেমন হবে? পুরনো তিক্ততা ভুলে তারা কি সহজ স্বাভাবিকভাবে একে অন্যের মুখোমুখি হতে পারবে, নাকি এক সময় যে তারা পরিচিত ছিল তা পরবর্তী প্রজন্মকে বুঝতেই দেবে না? শুধু ‘শেষের কবিতা’র রেশ টেনে গল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া নয়, পরিচালক এখানে চেনা চরিত্রদের নিয়ে বলতে চেয়েছেন এক নতুন গল্প।
তাশি গাঁওয়ে একদিন
‘অবশেষের গল্প’ ছবিতে বিভিন্ন ভূমিকায় থাকছেন অঞ্জনা বসু, বিদিপ্তা চক্রবর্তী, বাদশা মৈত্র, সৌভরি চট্টোপাধ্যায় ও আরাত্রিকা সেন।
এই মাসের শেষের দিকে মুক্তি পাবে ‘অবশেষের গল্প’।

