কলকাতায় ‘পালস’ (PULSE) বাই মুক্তি শ্রী, শাস্ত্রীয় সঙ্গীত ও নৃত্যের ছন্দে অনন্য সন্ধ্যা
RBN News Desk: ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীত ও নৃত্যের ঐতিহ্যকে সমসাময়িক মঞ্চ-উপস্থাপনায় তুলে ধরল ‘পালস’ (PULSE) by মুক্তি শ্রী। গত ২৩ অক্টোবর কলকাতার আইসিসিআর-এর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সেন্টারের সত্যজিৎ রায় অডিটোরিয়ামে আয়োজিত হয় এই বিশেষ সঙ্গীত-নৃত্য সন্ধ্যা। ‘আর্ট হাব’ (Art Hub)-এর প্রযোজনায় এবং মুক্তি শ্রী-র পরিকল্পনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে এক মঞ্চে মিলিত হন আটজন শিল্পী।
ব্যাংকক, মুম্বই, ডাবলিন, লন্ডন, কেমব্রিজ, ইন্দোর ও বেঙ্গালুরুতে সাফল্যের সঙ্গে মঞ্চস্থ হওয়ার পর কলকাতায় প্রথমবারের মতো পরিবেশিত হলো এই প্রযোজনা। কত্থক নৃত্য, তবলা, পাখোয়াজ, হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীত, সেতার ও বাঁশির মেলবন্ধনে তৈরি হয় এক বিশেষ সাংস্কৃতিক আবহ। সরাসরি শিল্প-পরিবেশনার পাশাপাশি আলোকসজ্জা, শব্দবিন্যাস এবং মঞ্চসজ্জাও অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল।
আরও পড়ুন: দুর্গাপুজোর আবহে প্রেমের সুর, বড়পর্দায় আসছে ‘হৃদ মাঝারের ঢেউ’
অনুষ্ঠানে অংশ নেন প্রখ্যাত কত্থক নৃত্যশিল্পী ও প্রযোজনার কিউরেটর মুক্তি শ্রী, তরুণ কত্থক শিল্পী আনভি শ্রী, তবলাবাদক আশয় কুলকার্নি, পাখোয়াজ বাদক কৃষ্ণা সালুঙ্কে, পাতিয়ালা ঘরানার কণ্ঠশিল্পী সুরঞ্জন খান্ডালকর, সেতারবাদক অয়ন সেনগুপ্ত এবং বাঁশিবাদক ধবল জোশি।
মুক্তি শ্রী-র কথায়, ভারতীয় শাস্ত্রীয় শিল্পের গভীরতা, শক্তি ও আবেগকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়াই ‘পালস’-এর অন্যতম উদ্দেশ্য। বিশেষত তরুণ দর্শকদের এই শিল্পধারার সঙ্গে আরও নিবিড়ভাবে যুক্ত করতে চায় এই প্রযোজনা। তাঁর মতে, সঙ্গীত, ছন্দ, গতি, আলো ও আবেগের সম্মিলনে দর্শকের কাছে এটি শুধু কনসার্ট বা নৃত্যানুষ্ঠান নয়, এক সামগ্রিক অভিজ্ঞতা।
আরও পড়ুন: কানাডার কিচেনার-ওয়াটারলুতে মিনি ইন্ডিয়া, GRCA-র দুর্গাপুজোয় সম্প্রীতির উৎসব
‘কালাবতী স্কুল অফ ডান্স অ্যান্ড পারফর্মিং আর্টস’-এর তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এই সন্ধ্যায় শাস্ত্রীয় ঐতিহ্যের মৌলিকতা বজায় রেখেই আধুনিক মঞ্চরীতির প্রয়োগ করা হয়। কলকাতার সাংস্কৃতিক পরিসরে ‘পালস’ তাই হয়ে উঠল শাস্ত্রীয় শিল্পের চিরন্তন সৌন্দর্যকে নতুনভাবে অনুভব করার এক আয়োজন।
