এস ডি – আর ডি স্মরণে আসছে ‘বার্মেনিয়া’ : সুর ও মানবিকতার মেলবন্ধন
RBN News Desk: সুরের জাদু আর মানবিক উদ্যোগ—এই দুইয়ের যুগলবন্দিতে ফের একবার সমৃদ্ধ হতে চলেছে কলকাতার সঙ্গীতজগৎ। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ (শনিবার) ঢাকুরিয়ার নজরুল মঞ্চে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বহুপ্রতীক্ষিত সঙ্গীত আয়োজন ‘গানে ফিউশন’ সিজন ৪। ‘অ্যালগোস ইভেন্টস অ্যান্ড ডেকোর’-এর ((Algos Events & Decor))উদ্যোগে আয়োজিত এই সংগীতালেখ্যের এবারের মূল ভাবনা ‘বার্মেনিয়া’—যা সম্পূর্ণ উৎসর্গ করা হয়েছে ভারতীয় সঙ্গীতজগতের দুই প্রবাদপ্রতিম সুরকার ও গায়ক শচীন দেব বর্মন (এস.ডি. বর্মন) (S. D. Burman) এবং রাহুল দেব বর্মন (আর.ডি. বর্মন)-এর (R. D. Burman) কালজয়ী সৃষ্টিকে।
বিকেল ৫:৩০টা থেকে শুরু হতে যাওয়া এই বিশেষ সন্ধ্যায় বসবে তারার হাট। দুই কিংবদন্তির অবিস্মরণীয় গান ও সুরের মায়াজাল বুনে তুলবেন দেশের খ্যাতনামা শিল্পীবৃন্দ। মঞ্চে সঙ্গীত পরিবেশন করবেন পদ্মভূষণ ঊষা উত্থুপ (Usha Uthup), পণ্ডিত শুভেন চট্টোপাধ্যায় (Subhen Chatterjee) , রূপঙ্কর বাগচী (Rupankar Bagchi), অন্বেষা দত্তগুপ্ত (Annwesha Duttagupta), গৌরব সরকার (Gourab Sarkar) এবং পোর্শিয়া সেন (Porshia Sen)। শুধু সুরের মূর্ছনাই নয়, গানগুলোর পেছনের অজানা গল্প ও তাঁদের জীবনযাত্রার রোমাঞ্চকর তথ্য শ্রোতাদের সামনে উপস্থাপন করবেন প্রখ্যাত সঞ্চালক ও পারফর্মার মীর (Meer)।
আরও পড়ুন: ‘নেতাজী ও নজরুল — দুই অগ্নি পুরুষ’ এসময়ের জরুরি উদ্যোগ
সঙ্গীত উদযাপনের পাশাপাশি এই কনসার্টের মূল আকর্ষণ এর মানবিক উদ্দেশ্য। বিগত ২৭ বছর ধরে অনুষ্ঠান আয়োজনের সুনাম বজায় রাখা সংস্থা ‘অ্যালগোস ইভেন্টস অ্যান্ড ডেকোর’ সামাজিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকেও এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছে। বিগত তিনটি সংস্করণের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে, এ বছরেও ‘বার্মেনিয়া’ থেকে সংগৃহীত অর্থ ব্যয় করা হবে জটিল হৃদরোগে আক্রান্ত সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের চিকিৎসায়।
অনুষ্ঠানের বার্তা নিয়ে আয়োজক সংস্থার কর্ণধার দেবাশীষ সাহা জানান, “বর্মন পরিবারের সুরের জাদুতে যেমন মন ভালো হয়, তেমনি এই আয়োজনের লক্ষ্য হল অসুস্থ শিশুদের হৃদয় সুস্থ করে তোলা। গান ও মানবতাকে একই সূত্রে বেঁধে আমরা অসহায় শিশুদের জীবনে আশার আলো জ্বালাতে চাই। কলকাতার সমস্ত সঙ্গীতপ্রেমী মানুষকে এই মহৎ উদ্যোগে সামিল হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।”
সঙ্গীতের মাধ্যমে কোনো ইতিবাচক সামাজিক পরিবর্তনের এই প্রয়াস ইতিমধ্যেই শহরের সংস্কৃতি ও সঙ্গীতপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে।
